সর্বশেষ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে গলায় রশি পেঁচিয়ে এক কলেজ ছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
পেকুয়া সদর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল বৈঠকে জননেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুক 
পেকুয়ায় বিএনপিতে যোগদান করলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক
পেকুয়ায় শিবিরের নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
পেকুয়ায় প্রতারণার অভিযোগে মা-ছেলেসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন অনুষ্ঠিত
ম্যানেজিং কমিটি থেকে বাদ রাজনৈতিক নেতারা, প্রজ্ঞাপন জারির সময় জানাল মন্ত্রণালয়
পেকুয়ায় বাজেট পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
পেকুয়ার টইটংয়ে রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য সেবা চালু
টইটংয়ে খতিবের পরিবারের ওপর হামলা
পেকুয়া উপজেলাছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেতাশাম কারাগারে
দেশ যেন মৌলবাদের অভয়ারণ্য না হয়: তারেক রহমান
❝যাদের অতীতে দূর্নীতির রেকর্ড আছে, তাদেরকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব নয়❞
পেকুয়ায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস-২৫ অনুষ্ঠিত
চকরিয়া উপজেলা দক্ষিণ ছাত্রশিবিরের জিপিএ 5 (A+) কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। আজকের মেধাবিরাই পরিবর্তনের বাংলাদেশ গড়ার কর্ণধার-আব্দুল্লাহ আল ফারুক। 

পেকুয়ায় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধূকে মারধর, বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

পেকুয়ায় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধূকে মারধর, বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

পেকুয়া প্রতিনিধি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় যৌতুকের দাবীতে উম্মে সালমা (২১)নামের এক গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি উপজেলার উজানটিয়া ইউপির ষাটদুনিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার সান্ধায় বিচারের দাবীতে পেকুয়া উপজেলা প্রেসক্লাব হলরুমে এসে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, আমার স্বামীর নাম মিনহাজ উদ্দিন (২৩) এবং পিতার নাম জামাল হোসেন। আমার স্বামী উজানটিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তারা সবাই আওয়ামীলীগ পরিবারের লোকজন। তারা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করতো৷ গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রেমের সম্পর্কে আমাদের দুজনের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস আমাদের সংসার ঠিকঠাকমত চললেও কিছুদিন পর যৌতুকের দাবীতে আমার স্বামী মিনহাজ এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজন মিলে শুরু করে আমার উপর অমানবিক নির্যাতন। যৌতুকের টাকা না দিলে আমাকে সংসার করতে দিবেনা বলে আমার বাবা-মাকে হুমকি দেখায়। সংসার বাঁচাতে ধারদেনা করে তিন লাখ টাকা যৌতুক দেয় আমার পরিবার। টাকা দেওয়ার পর কিছুদিন সংসার ভালো চলে। কিন্তু তারপর আবারও যৌতুক দাবি করে পাঁচ লক্ষ টাকা। কারণ দেখায় আমার স্বামী বিদেশে যাবে।আমি অত্যান্ত দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। প্রথম তিন লক্ষ টাকা দিলেও তাদের পক্ষে আর টাকা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় আমার উপর আবারও শুরু হয় নির্যাতন। স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজন মিলে প্রতিদিন চালাতে থাকে অমানবিক নির্যাতন। জখম করে আমার শরীরের বিভিন্ন অংশে। সর্বশেষ গত ২১জুন আমাকে সবাই মিলে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়। আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং স্থানীয়রা মিলে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান৷

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গৃহবধূ আরও বলেন, অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় হল আমাদের বিয়ের সময় দেনমোহর দেওয়ার কথা ছিলো ১০ লক্ষ টাকা। যারমধ্যে ৫০ হাজার টাকা উশুল এবং সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা বাকি থাকার কথা। কিন্তু সে আমার সাথে প্রতারণা করে কাবিননামায় দেনমোহর উল্লেখ করে ৯ লক্ষ টাকা। যার অর্ধেক উশুল এবং অর্ধেক বাকি। সে এটা নিয়ে আমার সাথে বড় ধরনের প্রতারণা করে। আমি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি এবং তাদের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ