পেকুয়ার সর্বোচ্চ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ফাঁশিয়াখালী কামিল মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাবেক অধ্যক্ষ মাও. বদিউল আলম জিহাদী
রাকিব, পেকুয়া প্রতিনিধি:
০২ জুলাই ২৫, কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট আলেম, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান মাওলানা এ.এইচ.এম. বদিউল আলম।
মাওলানা বদিউল আলম একজন অভিজ্ঞ ও সুদূরদর্শী শিক্ষা প্রশাসক হিসেবে ইতোমধ্যেই স্থানীয় ও আঞ্চলিক পরিসরে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি এ মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, যার সময়কালে প্রতিষ্ঠানটি একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত দিক থেকে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করে। তার সময়েই মাদ্রাসাটির পাঠদান কার্যক্রমে আধুনিকতা ও শৃঙ্খলার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।
নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে মাওলানা বদিউল আলম বলেন, “এই মাদ্রাসা কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তি। আমি চেষ্টা করব যেন এখান থেকে নৈতিক, ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে ওঠে। ইসলামি আদর্শ ও জাতীয় উন্নয়নের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই হবে আমার অগ্রাধিকার।”
মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিত এই আলেম স্থানীয় পর্যায়ে ইসলামী জ্ঞানের বিস্তার, শিক্ষার্থীদের মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্যপীড়িত শিক্ষার্থীদের সহায়তায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর নেতৃত্বে এই প্রতিষ্ঠান একাডেমিক ফলাফলে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নেও অগ্রণী ভূমিকায় ছিল।
বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনবার নির্বাচিত হয়ে তিনি সুনাম ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দুর্নীতি মুক্ত, জনমুখী প্রশাসন ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগগুলো প্রশংসিত হয়েছে উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে। নতুন সভাপতির দায়িত্বগ্রহণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় ধর্মপ্রাণ জনগণের মাঝে স্বস্তি ও আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ এবং প্রজ্ঞায় ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা আবারও একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করবে।
প্রসঙ্গত, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা পেকুয়া উপজেলার প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। প্রায় শতবর্ষের পুরনো এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে কামিল (মাস্টার্স) পর্যন্ত পাঠদান করছে। এখানে ছাত্রছাত্রীরা ইসলামী জ্ঞানের পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষাও লাভ করছে। প্রতিষ্ঠানটি যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম, ডিজিটাল লাইব্রেরি, তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ এবং চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছে।






